বংশিপুর আশা পেট্রোল পাম্পে তৈল পাননি জরুরি পরিসেবার মানুষেরা, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নবৃদ্ধ!
আব্রাহাম লিংকন শ্যামনগর “””
শ্যামনগরে বংশিপুর আশা পেট্রোল পাম্পে বিশৃঙ্খলা আর স্বজনপ্রীতি অভিযোগ উঠেছে ৷ গত ২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের উপস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনকের সভাপতিত্বে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেল সংক্রান্ত বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন তেলের পাম্প মালিক,সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনদের সাথে মত বিনিময় করেন ৷ সকলে মতামতের ভিত্তিতে
সকাল ৮টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত জরুরি পরিসেবা- প্রশাসন, শিক্ষক, সাংবাদিক, সরকারি/বেসরকারী সংস্থাদের তৈল দেওয়া হবে মর্মে আলোচনা করা হয় ৷ যা বাস্তবায়নে
৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কৈখালী, রমজাননগর ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নে তৈল দেওয়া হয় ৷ দুইটি লাইনে একটি সাধারণ অন্যটি জরুরি পরিসেবা মানুষদের ৷ কিন্তু সরজমিনে দেখা গেল ভিন্ন রুপ ৷
উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত সহকারী প্রোগ্রামার মোঃ শাহাদাত হোসেন (ট্যাগ) অফিসার হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করতে রুমে বসে রেষ্ট করতে দেখা গেছে আর পুলিশ গাছ তলায় গরমে দাঁড়িয়ে মনের সুখে সিগারেট খাচ্ছেন আর বিজিবি দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করতে দেখাগেছে ৷ অন্যদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় কিছু নেতারা নেতৃত্ব দিয়ে স্বজনপ্রীতিতে হরিলুট করার পর পাম্প মালিক তাদের আত্মীয়দের ডেকে বাইকের ট্যাংকি ফুল করে দিতে দেখা গেছে ৷
সকাল ৯ টার সময় ট্যাগ অফিসার, বিজিবি এবং পুলিশ সাড়ে ৯ টা উপস্থিত হয়েছেন ৷ আঁধাঘন্টা তৈল দেওয়ার পর যখন ১০ টা বেঁজে গেলো! স্থানীয় ভাড়ায় চালক বাইকাররা হট্টগোল করে ঢুকে বেসামাল পরিস্থিতির মূখে জরুরি পরিসেবার মানুষদের ৷ প্রশ্নবৃদ্ধ মানুষের দাবী ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন আশা পেট্রোল পাম্প থেকে সরিয়ে অন্য পেট্রোল পাম্পে হস্তান্তর করা হোক ৷ তা হলে সিন্ডিকেট ও হয়রানি থেকে মুক্তি পাবে বাকি ইউনিয়ন ও জরুরি পরিসেবার মানুষেরা ৷
একাধিক ব্যক্তি জানান, ৪ থেকে ৫ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও রোদে গরমে আমরা তেল পাইনি।
আশা পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ মতিউর রহমান নান্টু বলেন, আমার বাড়ি রমজাননগর ইউনিয়ন বলে ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের মানুষের কাছে জিম্মি হয়ে গেছি ৷ আমি ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন কোন তৈল দিতে রাজি না ৷ আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অবগত করবো ৷
উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত সহকারী প্রোগ্রামার মোঃ শাহাদাত হোসেন ট্যাগ অফিসার কে বক্তব্য নেওয়ার জন্য 01715880779
ফোন দিলে তিনি ফোনটি ধরেননি।














