ঝাউডাঙ্গা বাজারে প্রশংসায় যুবদল নেতা আখতারুজ্জামান বাপ্পি।
মোঃ আব্দুস সালাম
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ১১ নং ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে বাজারে আলোর ব্যবস্থা করে প্রশংসায় যুবনেতা আখতারুজ্জামান বাপ্পি। এলাকার অন্ধকার দূর করে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিজ উদ্যোগে বাজারে আলোর ব্যবস্থা করেছেন সদর উপজেলা সাবেক যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আখতারুজ্জামান বাপ্পি ।দীর্ঘদিন ধরে বাজারের ভেতরের প্রধান সড়ক ও মোড়গুলো রাতে অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকায় চোর-ছিনতাইকারীর উপদ্রব ও সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। প্রশাসনের উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন এই যুবনেতা।বাজার ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সদর উপজেলার অন্যতম প্রধান এই বাণিজ্যিক কেন্দ্রে ঝাউডাঙ্গা বাজারের প্রতিদিন হাজারো মানুষের আনাগোনা থাকে। কিন্তু পর্যাপ্ত ল্যাম্পপোস্ট ও আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পরেই পুরো বাজার এলাকা ভুতুড়ে অন্ধকারে রূপ নিত। এতে করে রাতে দোকানপাট খোলা রাখা যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল, বিষয়টি নজরে আসার পর যুবদল নেতা নিজস্ব অর্থায়নে এবং কর্মী-সমর্থকদের সহযোগিতায় বাজার এলাকায় আধুনিক এলইডি লাইট স্থাপনের উদ্যোগ নেন। গত কয়েকদিন ধরে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে এসব লাইট বসানোর কাজ সম্পন্ন হয়। এখন পুরো বাজার এলাকা রাতেও আলোয় ঝলমল করছে।এই মানবিক ও জনকল্যাণমুখী কাজের পর সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। বাজারের একজন প্রবীণ ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে বাজারে লাইটের জন্য দাবি জানিয়ে আসছিলাম। কিন্তু কেউ কথা রাখেনি। যুবদল নেতার এই উদ্যোগ আমাদের ব্যবসা ও জানমালের নিরাপত্তা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা ওনার প্রতি কৃতজ্ঞ।”এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই যুবদল নেতা জানান, “দলীয় পদের চেয়ে জনগণের সেবক হওয়াটাই আমার মূল লক্ষ্য। আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশ—জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়াতে হবে। বাজারের অন্ধকারের কারণে মানুষ শান্তিতে চলাচল করতে পারছিল না, তাই এই ক্ষুদ্র চেষ্টা। আগামীতেও এলাকার যেকোনো সমস্যায় আমি সাধারণ মানুষের পাশে থাকব।”এলাকাবাসী মনে করছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা ক্ষমতার দাপট নয়, বরং এমন জনবান্ধব কাজের মাধ্যমেই যুবদল জনগণের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিতে সক্ষম হবে।
















